জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ‘ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রাম বিভাগের সেরা পাঁচ নারীকে জয়িতা সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ১৩ নভেম্বর ২০১৯ বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরের এলজিইডি ভবনের এলজিইডি কনফারেন্স হলে, বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম জনাব মো: আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে আয়োজিত ‘তোমরাই বাংলাদেশের আলোকবর্তিকা‘ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তাঁদেরকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব কামরুন নাহার, ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব বদরুন নেসা।
সম্মাননা পাওয়া পাঁচ নারী হলেন অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জনকারী কক্সবাজারের ইয়াসমিন আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী চট্টগ্রামের ডা: সুপর্ণা দে সিম্পু, সফল জননী নারী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার স্বপ্নাহার বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় বান্দরবানের পাইংম্রাউ মার্মা, নির্যাতনের বিভিষীকা মুছে ফেলে নতুন জীবন শুরু করায় চট্টগ্রামের রত্না চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে ফুলেলে শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও উপহার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন “ জনসংখ্যার অর্ধেক নারীকে পেছনে রেখে দেশ ও সমাজ সামনে এগোতে পারেনা। আমরা এদেশবাসী ভাগ্যবান। কারণ দেশকে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই প্রধানমন্ত্রী নিজেই একজন জয়িতা। এজন্য তিনি জয়িতাদের মর্মব্যথা বোঝেন ও তাঁদের সম্মানিত করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা থেকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ৫টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত মোট ৫৫ জন জয়িতার মধ্য হতে বিচারকমণ্ডলীর দ্বারা চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচনসহ সকল জয়িতাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হলো। দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০১৩ সাল হতে দেশব্যাপী ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৮ সালের শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছে
সম্মাননা পাওয়া পাঁচ নারী হলেন অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জনকারী কক্সবাজারের ইয়াসমিন আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী চট্টগ্রামের ডা: সুপর্ণা দে সিম্পু, সফল জননী নারী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার স্বপ্নাহার বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় বান্দরবানের পাইংম্রাউ মার্মা, নির্যাতনের বিভিষীকা মুছে ফেলে নতুন জীবন শুরু করায় চট্টগ্রামের রত্না চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে ফুলেলে শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও উপহার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন “ জনসংখ্যার অর্ধেক নারীকে পেছনে রেখে দেশ ও সমাজ সামনে এগোতে পারেনা। আমরা এদেশবাসী ভাগ্যবান। কারণ দেশকে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই প্রধানমন্ত্রী নিজেই একজন জয়িতা। এজন্য তিনি জয়িতাদের মর্মব্যথা বোঝেন ও তাঁদের সম্মানিত করেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা থেকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ৫টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত মোট ৫৫ জন জয়িতার মধ্য হতে বিচারকমণ্ডলীর দ্বারা চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচনসহ সকল জয়িতাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হলো। দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০১৩ সাল হতে দেশব্যাপী ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৮ সালের শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছে
সফল জননী নারী স্বপ্নাহার বেগম। বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। স্বামী মো: মাহের মিঞা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বাদৈর গ্রামের জমদ্দার বাড়ির বাসিন্দা। স্বামীর নাম মো: মাহের মিয়া। একই উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের কন্যা, পিতার নাম আবুল বাশার ভূঞ্রা।
তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ সফিকুল ইসলামের মা জননী। সফিকুল ইসলাম বর্তমানে সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ার Griffith University তে ক্লাইমেট ফান্ডিং ও রাজনৈতিক অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি গবেষণায নিয়োজিত আছেন। দ্বিতীয় সন্তান রফিকুল ইসলাম সফল ফার্মেসী ব্যবসায়ী, তৃতীয় সন্তান সামসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক (বিসিএস), ৫ম সন্তান জুয়েল মিয়া গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের শিক্ষক, ষষ্ঠ সন্তান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মরত ও একমাত্র কন্যা সন্তান স্নাতক শেষ করেছেন।
সফল জননী নারী স্বপ্নাহার বেগম বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি মা যদি কষ্ট করে পরিশ্রম করে, পরিকল্পনা করে, সংসারের হাল ধরে রাখে; তবে সন্তানরা মানুষ হবেই। বাকিটা আল্লাহর হাতে। আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি। শুধু পড়াশোনা করাইনি, নৈতিক শিক্ষা দিয়েছি, ভালো ব্যবহার শিখিয়েছি। শুধু কাজই করেছি সারাজীবন। কথায় নয়, কাজেই বিশ্বাস করি।কাজ করতে গিয়ে, কথা বলার ফুরসত মেলেনি।আমার জন্য, আমার সন্তানদের জন্য, দোয়া করবেন। তারা যেন পরিবারের জন্য কাজ করে, প্রতিবেশির জন্য কাজ করে, তারা যেন গ্রামের জন্য কাজ করে, তারা যেন উপজেলার জন্য কাজ করে, তারা যেন দেশের জন্য কাজ করে, তারা যেন মানুষের ভালোবাসা পায়, তারা যেন কাউকে কষ্ট না দেয়।“
তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ সফিকুল ইসলামের মা জননী। সফিকুল ইসলাম বর্তমানে সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ার Griffith University তে ক্লাইমেট ফান্ডিং ও রাজনৈতিক অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি গবেষণায নিয়োজিত আছেন। দ্বিতীয় সন্তান রফিকুল ইসলাম সফল ফার্মেসী ব্যবসায়ী, তৃতীয় সন্তান সামসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক (বিসিএস), ৫ম সন্তান জুয়েল মিয়া গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের শিক্ষক, ষষ্ঠ সন্তান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মরত ও একমাত্র কন্যা সন্তান স্নাতক শেষ করেছেন।
সফল জননী নারী স্বপ্নাহার বেগম বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি মা যদি কষ্ট করে পরিশ্রম করে, পরিকল্পনা করে, সংসারের হাল ধরে রাখে; তবে সন্তানরা মানুষ হবেই। বাকিটা আল্লাহর হাতে। আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি। শুধু পড়াশোনা করাইনি, নৈতিক শিক্ষা দিয়েছি, ভালো ব্যবহার শিখিয়েছি। শুধু কাজই করেছি সারাজীবন। কথায় নয়, কাজেই বিশ্বাস করি।কাজ করতে গিয়ে, কথা বলার ফুরসত মেলেনি।আমার জন্য, আমার সন্তানদের জন্য, দোয়া করবেন। তারা যেন পরিবারের জন্য কাজ করে, প্রতিবেশির জন্য কাজ করে, তারা যেন গ্রামের জন্য কাজ করে, তারা যেন উপজেলার জন্য কাজ করে, তারা যেন দেশের জন্য কাজ করে, তারা যেন মানুষের ভালোবাসা পায়, তারা যেন কাউকে কষ্ট না দেয়।“

